দুর্লভ ভিডিও সামনে এলো,মাইনাস ৪৫ ডিগ্রি তাপমাত্রায় খালি গায়ে ধ্যানে মগ্ন সাধু!

ছোটবেলা থেকে আমরা সাধুসন্তদের কথা শুনে আসছি। যুগ যুগ ধরে তাদের বিভিন্ন ক্রিয়া-কলাপেরর কথা বড়দের মুখ থেকে শুনে আসছি। তাদের বিভিন্ন ধরনের কসরতের সাধনা আজও সমাজকে অনুপ্রাণিত করে থাকে। কিন্তু এখন তো সোশ্যাল মিডিয়ার যুগ সারাদিন সোশ্যাল মিডিয়ায় সময় পার করায় বর্তমান প্রজন্মের একমাত্র উপায়।

টিকটক, ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ ছাড়া বর্তমান প্রজন্মের কথা চিন্তাই করা যায় না।ভারতবর্ষের আনাচে-কানাচে কমবেশি সাধুদের দেখা যায়। কিন্তু এর মধ্যে হিমালয়ের পাদুদেশে যে সমস্ত সাধুরা বসবাস করে তারা অন্য সাধুদের থেকে অনেকটাই ব্যতিক্রমী।

বিশেষ করে তাদের শারীরিক বিশেষ ক্রিয়া-কলাপের জন্য। তারা মাইনাস 45 থেকে 50 ডিগ্রি তাপমাত্রা সামান্য একটা কাপড় পরিধান করে ধ্যান করতে পারে। ঐ স্থানের সাধুরা তাদের শরীরের তাপমাত্রা 64 ডিগ্রি পর্যন্ত বৃদ্ধি করে নিতে পারে। একটা কম্বল বরফের জলে ভিজিয়ে শরীরে জড়িয়ে একজন সাধু মাত্র 30 মিনিটের মধ্যে কম্বলটি শুকিয়ে ফেলতে পারে।

 

সাধুদের এই ক্ষমতা যোগ সাধনার মাধ্যমে অর্জন করে থাকে। বিশেষ করে তিব্বতের সাধুদের মধ্যেই এই ক্ষমতা দেখা যায়। তাদের বক্তব্য অনুযায়ী একজন সাধু তার শরীরকে যোগ সাধনার মাধ্যমে এমন একটা পর্যায়ে নিয়ে যেতে পারে, যেখানে দাড়িয়ে একজন সাধু শরীরের সাথে যে কোন ধরনের বিপদজনক ক্রিয়া করতেও সক্ষম হয়।

তবে সাধুদের বক্তব্য অনুযায়ী এই ধরনের কার্যক্রম সাধারন মানুষ করতে পারে যদি যোগ এবং সাধনা ঠিক মতন করা সম্ভব হয়। এতগুলো সাধুদের বক্তব্য কিন্তু আদৌ কি এই ধরনের কার্যক্রম করা সম্ভব? ঠিক এই প্রশ্নর উত্তরে সাম্প্রতিক সময়ে সেনাবাহিনীর নজরে এসেছেন। যা কিছুদিন যাবৎ সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে যে একজন সাধু মাইনাস 45 ডিগ্রী তাপমাত্রায় ধ্যানে মগ্ন।

 

সাথে আছে একটা কুকুর। এক কৌতুহলী সেনাসদস্য সেই ভিডিও ধারণ করে সোশ্যাল মিডিয়ায় আপলোড করলে ভিডিওটি অল্প সময়ের মধ্যে ভাইরাল হয়ে যায়। সেখানে একটা পর্যায়ে দেখা যাচ্ছে সাধু ধ্যান থেকে উঠে জয় শ্রীরাম বলতে বলতে সেই স্থান ত্যাগ করে চলে যায়।

অপরা আর একটি ভিডিও দেখা যাচ্ছে আরেকজন সাধু বরফের মধ্যে ধ্যান অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসছে। মুখে বম বম ভোলানাথের নাম। একটা সময় এই সাধুদের অলৌকিক কার্যক্রমগুলো আমরা শুধু লোকের মুখে শুনতাম।

কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে এই ধরনের ভিডিও ভাইরাল হওয়ার কারণে আমরা সত্যি সত্যি সাধুদের সেই শারীরিক কসরতের নমুনা দেখতে পেয়েছি। যা সত্যিই আমাদেরকে অবাক করে। ভিডিওটি ভালো করে দেখুন, দেখতে পারবেন তাদের শারীরিক কসরত এর কিছু নমুনা।

এই ভিডিও গুলো সামনে আসাতে গবেষকরাও অনেকটা নড়েচড়ে বসেছে। তারা ইতিমধ্যে এই বিষয় নিয়ে রিসার্চ শুরু করে দিয়েছে। হিমালয়ের পাদদেশের সাধুদের নিয়ে অনেক সময় অনেক গবেষণা হয়েছে এবং হয়ে থাকে। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে এ ধরনের ভিডিও আসাতে আবার নতুন করে তাদের সম্পর্কে গবেষকদের ভাবাচ্ছে।

পড়ার পর লাইক দিতে ভুলবেন না যেন, আপনাদের লাইক আমাদের অনুপ্রেরনা জোগায়।