কেন উদ্বাস্তু হতে হল? লেখক-শ্রীদেবজ্যোতি রায়। (Free e-book)

কেন উদ্বাস্তু হতে হল???

১৯৪৭ সালের ভারত বিভাগ, তার সঙ্গে বাংলা ও পাঞ্জাব বিভাগ, প্রায় একই সময়ে কাশ্মীর যুদ্ধ অগণিত মানুষের জীবনে এক গভীর ক্ষতের সৃষ্টি করে। যুক্ত বাংলা বিভক্ত হবার ফলে বন্যার জলস্রোতের মত লক্ষ লক্ষ হিন্দু পূর্ব পাকিস্তান থেকে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, অসম, ত্রিপুরা ইত্যাদি রাজ্যে আশ্রয় গ্রহণ করেন। অবশ্য বাংলা বিভক্ত হবার পুর্বেই ১৯৪৬ সালে নােয়াখালিতে দাঙ্গার সূচনা থেকেই হিন্দুরা নিরাপদ আশ্রয়ের আশায় অন্যত্র চলে যান। সংখ্যায় অল্প হলেও একই কারণে বৌদ্ধরাও চলে আসেন; চলে আসেন কিছু সংখ্যক আদিবাসী। ‘৪৭-এর পরে ভারতে যারা আশ্রয় গ্রহণ করেন তারা উদ্বাস্তু’ নামেই পরিচিত হন।

বইটি  লেখক, প্রয়াত দেবজ্যোতি রায়ের। স্ক্যান এবং পিডিএফ রুপদিয়েছে শ্রী অভিজিৎ মাহাতো।বইটিতে মোট ১৭৮ পাতা আছে, বইটি পিডিএফ ৫.৫৯ সাইজ মাত্র মেগাবাইট । ১৯৪৭ সালের দেশভাগ ও উদ্বাস্তু মূল কারণ জানতে জন্য আবশ্যই বইটি পড়তেই হবে। বইটি ডাউনলোড করতে এবং পড়তে এখানে ক্লিক করুন

১৯৫০ সালে নেহেরু লিয়াকত চুক্তি সাময়িকভাবে উদ্বাস্তু আগমন কিছুটা স্তিমিত করে; তবে কখনও তা বন্ধ হয়নি। অবশ্য এই চুক্তির শর্তসমূহ ভারতে যথার্থভাবে কার্যকর হওয়ায় ভারত থেকে সংখ্যালঘু মুসলমানদের পাকিস্তানে গিয়ে আশ্রয় গ্রহণ বন্ধ হয়।

বইটি  লেখক, প্রয়াত দেবজ্যোতি রায়ের। স্ক্যান এবং পিডিএফ রুপদিয়েছে শ্রী অভিজিৎ মাহাতো।বইটিতে মোট ১৭৮ পাতা আছে, বইটি পিডিএফ ৫.৫৯ সাইজ মাত্র মেগাবাইট । ১৯৪৭ সালের দেশভাগ ও উদ্বাস্তু মূল কারণ জানতে জন্য আবশ্যই বইটি পড়তেই হবে। বইটি ডাউনলোড করতে এবং পড়তে এখানে ক্লিক করুন

কেন উদ্বাস্তু হতে হল-শ্রীদেবজ্যোতি রায়। সোজাসাপ্টা

 

পরিবেশক বিবেকানন্দ সাহিত্য কেন্দ্র বারাসাত রেলওয়ে বুকস্টল
(অরুণ ঘােষ)
(শ্যামল রায়)। ৬, বঙ্কিম চ্যাটার্জী স্ট্রীট
(২-৩নং প্লাটফরম) কলকাতা-৭০০০৭৩
বারাসাত, উ, ২৪ পরগনা ফোন- ৯৩৩৯৪৯৯৫৯৫
ফোন-৮৬৯৭২৫৬৮৪৭
KENO UDBASTU HOTE HOLO (WHY DID WE BECOME REFUGEES]
| By Shri Debajyoti Roy
প্রথম প্রকাশ : কোলকাতা বইমেলা, ২০০১ দ্বিতীয় সংস্করণ ঃ কোলকাতা বইমেলা, ২০০৫
তৃতীয় সংস্করণ ঃ জানুয়ারি ২৪, ২০১২
(কোলকাতা বইমেলা)
প্রকাশক
: শ্ৰীপ্রকাশ চন্দ্র দাস
১২ বিবেকানন্দ রােড, কলকাতা-৭০০ ০৭৫ ফোন – ৯১৬৩১২২২১১
প্রচ্ছদ পরিকল্পনা ঃ শ্ৰী এন. কে. রায় স্বত্ব
গ্রন্থকারের কম্পােজ :: শ্রীসৌম্য জ্যোতি রায়।
মুদ্রণ
ও ডি অ্যাণ্ড পি গ্রাফিক্স লিঃ