প্লাস্টিক দূষণ এবং বর্তমান প্রযুক্তির মাধ্যমে বিকল্প রাস্তার সন্ধান।

ইতো মধ্যে আমার কয়েকটি লেখা সোজাসাপ্টা কর্তৃপক্ষ তাদের সাইটে প্রকাশ করেছে। এর জন্য আমি সোজাসাপ্টা কর্তৃপক্ষের কাছে কৃতজ্ঞ। আমার পূর্বের লিখা ‍গুলো বেশির ভাগ ছিল ইতিহাস ভিত্তিক এবং গভেষণা মূলক। ইতিহাস ভিত্তিক লেখা গুলো সাধারণ তো কোন না কোন মানুষের অনুভূতিতে আঘাত করে। কারণ ইতিহাস মানুষের মনের মতো সব সময় হয়ে থাকে না এবং অনেক সময় ভুল জানা হয়ে থাকলে তা নতুন করে জানতে কষ্ট হয়। আজ আর ইতিহাস নয়, আমার প্রিয় বিষয় বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তি নিয়ে অন্যের থেকে চুরি করে একটু লেখার চেস্টা করছি। এই অভাজনের এই চেষ্টা যদি বিন্দু মাত্র আপনাদের নতুন কিছু জানার পরিধি বৃদ্ধি করে, তবে তার জন্য এই অধম কৃতজ্ঞ থাকবে। সেই স্বদর্থক ভাবনা থেকেই আজকের লেখা। তবে ইতো মধ্যে আমার লেখা পড়ে যারা আমাকে ই-মেল করেছেন তাদের কে বলব হতাশ হবার মতো কিছু হয়নি অবসর পেলেই আবার সামাজিক বা অন্য বিষয়ে নিয়ে লিখবো। তবে আর কথা নয়, বিষষে আসি।

প্লাস্টিক দূষণ এবং বিপন্ন এই ধরণী

বর্তমান দিনগুলোতে আমাদের জীবনের সাথে প্লাস্টিক অঙ্গা অঙ্গি ভাবে মিশে গিয়েছে। প্লাস্টিক ছাড়া বর্তমানে চলা যেন দুষ্কর হয়ে গিয়েছে। কিন্তু অন্তত দুঃখের বিষয় বস্তুটি আমাদের মাঝে প্রায় অমর, অর্থাৎ এর কোন ধ্বংস নেই। আবার বস্তুটি অনেকটা অজর বস্তুর মতো, যার পুনঃব্যবহার অর্থাৎ রিসাইকেল করা জন্য তেমন কোন ভালো পথ অতীব কম। যদিও কিছু রিসাইকেল ব্যবস্থা বর্তমানে কম- বেশি দেখা যায় তার খরচ খুব বেশি। যার ফলে এই অপচনশীল বস্তুটি দায় ভার নিচ্ছে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য প্রাণ আমাদের সমুদ্র গুলো এবং নিঃস্ব তৃতীয় বিশ্ব। যদি কারো আমরা এই কথায় আপত্তি থাকে তাদেরকে বলব। দেখে নিন এই লিংক থেকে কিভাবে সমুদ্র বহন করে চলেছে আমাদের এই পাপ। পৃথিবীর সকল মহাসাগরে অর্থাৎ প্রশান্ত থেকে আটলান্টিক প্রতিটি মহাসাগর গুলোর কিছু নির্দিষ্ট জায়গায় জমিয়ে ফেলেছে অযুত নিযুত পরিমাণ প্লাস্টিক বর্জ্য। যার ফলে আমাদের জন্য বিষয়টি দিন দিন অন্তত ভয়ংকর হয়ে উঠেছে। এই বর্জ্য অর্থাৎ আমাদের পাপ মাছ বা সামুদ্রিক অন্যান্য প্রাণীর মাধ্যেমে আমাদের শরীরে প্রবেশ করছে। ফলাফল কি দাঁড়ালো, আমাদের তৈরি করার পাপের ফল আমরাই আবার গিলছি।

হ্যাঁ পাঠক বন্ধু, যদি হাতে সময় থাকে তবে একটু কষ্ট করে জেনে নিন এই বর্জ্য আমাদের জন্য কি পরিমাণ হুকি ডেকে আনছে যাহা হয়তো আপনি কখনোই আচ করতে পারছেন না। হ্যাঁ, সেটাই বলছি এখন মাত্র এক বর্গ মাইলে ভাসমান বর্জ্য ৪৬ হাজার  উপরে।কি কোন কিছু ভাবনাতে আসে না? আপনি অবাক হবেন এই বর্জ্যের মধ্যে ৯০% প্লাস্টিক। কিছুদিন আগে চীনা সরকার যে প্লাস্টিক রিসাইকেল করত অধিকাংশ তা যেন ছিল বোঝার উপর শাকের আঁটি মতো। রিসাইকেল এর কাজ সাম্প্রতিক কালে বন্ধ করেছে। যেটা সমুদ্রে দূষণের হাত থেকে অনেক অংশেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সমুদ্রে সাথে মিশে থাকা এই বর্জ্য তুলার জন্য যে সকল সংস্থা কাজ করছে, তাদের একজন মুখপাত্র স্টিভ উইলসন বলেছেন সমুদ্রে প্রায় বর্তমানে ৩১৫ মিলিয়ন পাউন্ড প্লাস্টিক রয়েছে। যাহা খুব তাড়াতাড়ি তুলে ফেলা দরকার। এই বিষয়ে আরো জানার জন্য খোঁচা মারুন এখানে। চীন সরকারের প্লাস্টিক রিসাইকেল বন্ধ সম্পর্কে জানতে আর এক বার খোঁচা মারুন এখানে

প্ল্যাস্টিক সাফ করা কি সম্ভব ?

উপরের আলোচনা এই পর্যায়ে এসে যদি আপনাকে প্রশ্ন করা হয় বিপুল পরিমাণের এই প্লাস্টিক বর্জ্য তুলে ফেলা সম্ভব? আপনি আমি এক বাক্যে উত্তর না। তবে উত্তরটি ঠিক না, কারণ আমরা তো ছোট বেলাতে অংশ শেখেছি। কি মনে পড়ছে না? চৌবাচ্চার মধ্যে দুটো নল দিয়ে জল ঢালছেন আবার একই ধরনের তিনটি নল দিয়ে সেই জল বের করে দিচ্ছেন, কি এবার সম্ভব নয়? এবার আশা যাক কি ভাবে সম্ভব তা আলোচনা করি। সর্বপ্রথম প্লাস্টিক বর্জ্য তৈরি হবার জন্য যে সকল রাস্তা আছে তা বন্ধ করতে হবে। তবে এটি স্বল্প সময়ে সম্ভব নয়, এর জন্য প্রয়োজন এক দীর্ঘ মেয়াদি কাযক্রম শুরু করা। কি মাথা আর একটি প্রশ্ন ঘুর পাক খাচ্ছে? প্লাস্টিক কখনই কি বর্জন করা সম্ভব? এ কথার উত্তর যদি এক কথাই দি, তবে “না” শব্দটি আসবে। এখন প্রশ্ন থাকল তা হলে কি কোন পথ নাই?

সমস্যা থেকে উত্তরণের পথ খুজবো এবার

তা হলে কি করা যেতে পারে? হ্যা প্লাস্টিক এর উপযোগিতা সম্পন্ন ভিন্ন পথ বের করা। সামুদ্রিক উদ্ভিদ বা শ্যাওলা মাধ্যমে অল্প কিছু কাজ করা সম্ভব হয়েছে। কিন্তু তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। অনেকটা সমুদ্রের মাঝে এক বিন্দু জল ঢালা মতো। সত্যিকার অথে এ ধরনের প্রাকৃতিক পদার্থ তৈরির প্রচুর ব্যয় বহুল এবং প্লাস্টিকের সাথে কোনভাবেই পাল্লা দেওয়ার মতো না। তা হলে কি এটা থেকে কোন মুক্তি পথ  নাই? এই সমস্যা থেকে মুক্তির আলো পৌঁছে দেওয়ার জন্য এত গৌরচন্দ্রিকা করা। এ এমন এক বিকল্প পথ বা রাস্তা যে রাস্তা সব কাজের কাজি। আবার কাজ শেষে পৃথিবীর কোন ধরনের ক্ষতি না করেই আবার প্রকৃতির সাথে মিশে যেতে পারে।

নাম নিলাম এক অকিঞ্চিৎকর অথচ মহা মূল্যবান পদার্থের !  পদার্থটি তৈরিতে ব্যবহৃত উপাদান আমরা আপনার পাশেই আছে সবারই পরিচিত, মাত্র দুটো জিনিস। দূর মিয়া এত পেচাল পাড়ে কেন? অনেক রহস্য হয়েছে এবার মনে হয় বলে ফেলা ভালো। স্বনামধন্য হার্ভার্ডের বায়ো ইঞ্জিনিয়ারিং গবেষণাগার তৈরী করেছে একটি পদার্থ যার নাম দিয়েছে শ্রিলক (shrilk ), হার্ভার্ডের ওয়েস ইনস্টিটিউট ফর বায়োলজিকালি ইন্সপায়ার্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে কাজের ফল এটি। প্রতিষ্ঠানটি ডক্টর জেভিয়ার ফার্নান্দেজ এবং প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা ডিরেক্টর ডন ইঙ্গবার্গ এর মিলিত উদ্যোগে চিংড়ির উপরের খোলস এবং সিল্ক(রেশমের ফাইব্রোইন) উভায়ের দ্বারা তৈরী কারা হয়েছে এমন একটি পদার্থ।  যে পদার্থটি আমরা অনেক সময় জৈব পদার্থ হিসাবে অবহেলা করে থাকি অথচ এটি দ্বিতীয় সর্ববৃহৎ প্রাপ্ত প্রাকৃতিক উপাদান। কৃষি ক্ষেত্রে সার হিসাবে যাহা বর্তমানে সামান্য ব্যবহৃত হয়ে থাকে। বিষয়ে গভীরে এবার যা যাক। চিংড়ির খোলে থাকা (কিছু পতঙ্গের উপরে ও থাকে ) এই খোলস এর মধ্যে মূল উপাদান চিটিন(chitin ) এর সঙ্গে মিশ্রণ করেছে রেশম মানে সিল্কের ফাইব্রোইন বলে একটি প্রোটিন। এই ‍দুইয়ের সংমিশ্রণে তৈরি হচ্ছে একদম প্লাস্টিক বৈশিষ্ট্রের নতুন একটি জৈব পদার্থ। এই জৈব পদার্থেটি অভিকল প্লাস্টিকের মতো স্বচ্ছ অর্থাৎ রং ছাড়া প্রসারণশীল মানে ইলাস্টিসিটি সম্পন্ন। এই পদার্থেটি গুরুত্বপূর্ণ দিকটি হলো ত্রিমাত্রিক বস্তু তৈরির ক্ষমতা সম্পন্ন। আশার কথা  এ যে অতি সহজেই পদার্থেটি ব্যাপক হারে বাণিজ্যিক ভাবে উৎপাদন  করা সম্ভব। বাচ্চাদের খেলনা, মোবাইল, চিকিৎসার যন্ত্রপাতি এমন কিছু নাই যে, যেটি প্লাস্টিকের দ্বারা উৎপাদন   করা যেত তা করা যাবে না। সোজাসাপ্টা বলা যায় এটি প্লাস্টিকের আদর্শ বিকল্প। এই শ্রিলক পদার্থেটি মাধ্যমে ব্যাগ থেকে নিত্য প্রয়োজনীয় যা কিছু আমরা প্লাস্টিকের দ্বারা তৈরি করে থাকি সব তৈরি করা সম্ভব।

শ্রিলক এর পরিবেশ বান্ধব গুন

আলোচনার মধ্যে অনেক বার বলেছি পদার্থটি অতীব পরিবেশ বান্ধব। শুধু পরিবেশ বান্ধব বললে ভূল হবে, বিজ্ঞানীরা আরো সাফল্য পথ পেয়েছে সেটি হলো পদার্থটি বর্জ্য অংশ মাটির সাথে মিশিয়ে গাছের সার হিসাবে ব্যবহার করলে ব্যপক হারে ফল বৃদ্ধি পাচ্ছে। মাত্র তিন সপ্তাহের মধ্যে এই ফলন হার ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। পূর্বের আলোচনায় বলছিলাম চিংড়ির খোলা কৃষি জমিতে কম মাত্রয় হলেও সারা হিসাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। সুতরাং বুঝাই যাচ্ছে ভবিষ্যতে সার হিসাবে এর ব্যবহার কেমন হবে।সবচেয়ে যে বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ তা হলো পদার্থটি প্রকৃতির সাথে খুব সহজে এবং অল্প সময়ে মধ্যে মিলিয়ে যায় । বিষয়টি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে খোঁচা মারুন এখানে। এর পর যদি মনে হয় আরো জানবেন তবে ভিডিও এখানে। সবচেয়ে যে বিষয়টি বেশি গুরুত্বপূর্ণ তা হল যে মানুষে চিংড়িতে এলার্জি আছে তাদের জন্য বিন্দুমাত্র কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার সম্ভাবনা নাই।

শ্রিলক মানে শ্রিম্প বা চিংড়ি এবং সিল্ক এর মিশ্রনের আরো কিছু বিস্তারিত কথন :

আমরা জানি সাধারণ প্লাস্টিক মাটির সাথে মিশতে সময় লাগে হাজার বছর এর উপর। তাহলে ভাবুন সেই সাধারণ প্লাস্টিক সমুদ্র বা নদীর জলে পড়লে কত সময় লাগবে। নষ্ট হয়ে গেলে তো কোন কথা ছিল না। জলের কি পরিমাণ দূষণ করে সেটা তো আমরা কম বেশি জানি। তাই ভাবতে পারছেন এই বিপুল পরিমাণ প্রযোজনী প্লাস্টিকের জন্য এই পদার্থটি কি পরিমান ভূমিকা রাখবে? পৃথিবীর ভূ-পৃষ্ঠে এক নতুন জীবন দেবে বয় আর কি। তাই চোখ বুজে বলে দেয়া যায় প্লাস্টিকের বিকল্প হিসাবে এই শ্রিলক কতটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সবচেয়ে চিন্তার বিষয় প্লাস্টিকের বিকল্পে সম পরিমান শ্রিলক পদার্থটি চাহিদা রহয়েছে। এটাই এখন পাওয়া সবচেয়ে চ্যালেঞ্জ বিষয়। তবে আনন্দের বিষয় সেটা করা সম্ভব, এর জন্য অবশ্য বছর দুয়েক এর চেষ্টা করে যেতে হয়ে। সরাসরি বললে বলতে হয় এর মূল পদার্থ হলো কাইটোসেন বলে পদার্থের সঠিক অনুপাতে বুননের মাধ্যমে না পেলে আপনি পাবেন অস্বচ্ছ এবং ভঙ্গুর পদার্থ কিন্তু সঠিক মাত্রায় করলে পাবেন আলোচ্য শ্রিলক। এই একটি কাইটোসেন মাত্রায় সিল্ক আর চিংড়ির বুননের একটি সমস্যা। আর একটিও সমস্যাও এই পদার্থটি তৈরী পর দেখা দিয়েছিল, আধার হিসেবে ব্যবহারের সময় কুচকে যাচ্ছিল। তবে আশার কথা দুই বৈজ্ঞানিক মিলে সেই সমস্যার সমাধাণ খুজে পেয়েছে। এই সমস্যার সমাধানের জন্য এতে মিশিয়েছে কাঠের গুড়া। মনে রাখবেন,ওই মিশ্রনের বিষয়টা কিন্তু আনবিক পর্যায়ে হয়েছে সুতরাং বাড়ির হাড়ি ইত্যাদির সাহায্যে হয়েছে ওটা আবার ভাববেন না।

কঠিন থেকে পাতলা আস্তরণ এর মত পদার্থটি ব্যবহার করা যাবে যেমন তেমন পুনর্ব্যবহার জন্য রিসাইকেল করলে তখন রং আলাদা করে নিতে পারবেন। পদার্থেটি তৈরির মূল উপাদান প্রকৃতিতে অপর্যাপ্ত, কারণ চিংড়ি বা কাঁকড়া ইত্যাদি প্রাণীর দেহাবশেষ ব্যবহার এখনো তেমন কোন ক্ষেত্রে দেখা যায় না। তাই উপাদানটি সরবরাহ জন্য তেমন কোন কঠিন কাজ হবে না। প্রকৃতিতে উপাদানটি সহজ প্রাপ্যের কারণে আশা করা হচ্ছে প্লাস্টিক এর থেকে এর দাম কম পড়বে। অথাৎ ধারণা করা হচ্ছে বানিজ্যিক ভাবে উপাদান করলে অন্য জৈব প্লাস্টিক থেকে দাম কম পড়বে। যেহেতু পদার্থেটি খোলস এর রসায়নিক থেকে তৈরি সেহেতু সরাসরি খোলস এর উপর নির্ভর থাকতে হবে না। এর আরো অনেক জেনেটিক্স প্রকৃতিতে পাওয়া যাবে। বিজ্ঞানীরা ইতিমধ্যেই ফার্নান্দেজ এবং  দাবা খেলার বড়ে থেকে আরো বেশ কিছু প্লাস্টিকের বিকল্প তৈরি করেছেন। কিন্তু সে গুলো উপাদান খরচ একটু বেশিই। এখানে আর একটি সম্ভবনা রহয়েছে আর তা হলো মৎসজীবি এবং স্বল্প আয়ের মানুষদের জন্য সেটি হলো অর্থাগমের রাস্তা। কারণ এই উপাদানটি উৎপাদনে জন্য মৎসজীবিদের বেশি উপকৃত হবে। তবে জেনেটিক্স কারণে আপনার প্রতিদিনের বাজারের মাছের আঁশ অসামান্য অবদান রাখতে পারে, তার সম্ভাবনা উজ্জ্বল হয়েছে। এখন দেখার বিষয় পৃথিবীর কোন দেশ গুলো এটি উৎপাদনের জন্য তাদের ঐ কাজের সাথে সম্পৃক্ত মানুষকে বেশি সাহায্য করছে।

সকলকে আবার অনেক,অনেক ধন্যবাদ।

আশা করি আপনার সুচিন্তিত মতামত সেই সাথে অন্যের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য একটি শেয়ার।

লেখক- সুমন মুখার্জি

বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়, কলকাতা ।

তথ্য সূত্র (উপরের সূত্র বাদে )

  • ১. http://edition.cnn.com/2014/06/16/tech/shrimp-biodegradable-plastics-shrilk/
  • ২. http://www.advancedsciencenews.com/large-scale-manufacturing-of-chitosan-bioplastics/
  • ৩. https://www.popsci.com/article/science/plastic-made-shrimp-shells
  • ৪. https://www.cbsnews.com/news/environmentally-friendly-bioplastic-created-from-shrimp-shells/
  •  গাছের বৃদ্ধিতে এই বস্তুটি কত উপকার তা জানার জন্য নিচের লিং দুটি দেখুন।
  • ৫. https://wyss.harvard.edu/technology/chitosan-bioplastic/
  • ৬. https://wyss.harvard.edu/manufacturing-a-solution-to-planet-clogging-plastics/