প্রতি বছর ৬ মিলিয়ন মানুষ ইসলাম ত্যাগ করে!-আল জাজিরা

আমরা প্রতিদিনই ইন্টারনেটের কল্যাণে জানতে পারি যে বিশ্বের কোথাও না কোথাও কেউ না কেউ অন্য ধর্ম বা নাস্তিকতা ছেড়ে ইসলাম গ্রহণ করছেন। তার বিপরীতে যদি হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান এর কথা বলি সেটা আসলেই চোখে পড়ার মতন নয়। এই চোখে না পড়ার পিছনে কারন আছে। সাধারণত যদি কেউ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান থেকে  ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে তাহলে মুসলিম সমাজের ভিতর এইটা ব্যাপকভাবে প্রচার হয়ে থাকে। সর্বোপরি মুসলিম সমাজের শিক্ষিত সহ সকল শ্রেণীর মানুষ এইটাকে ব্যাপকভাবে প্রচার করে এটা ইসলামের বিজয় হিসেবে দেখানোর চেষ্টা করে। তার বিপরীতে যদি কেউ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ধর্ম গ্রহণ করে সেটা সাধারণত ঐ সমস্ত ধর্মের কিছু লোক ছাড়া শিক্ষিত সমাজে এটা প্রচার-প্রসার কোনটাই হয় না।

 

এই প্রচার বা প্রসার না হওয়ার পিছনে কারন আছে। সেটা হল এই সমস্ত ধর্ম থেকে শিক্ষিত মানুষ গুলো এটা প্রচার করতে গেলে নিজেকে এক ধরনের গুঁড়া ধর্ম-অন্ধ হিসেবে উপস্থাপন করবে এই ভয়ে। তাই সে এটা প্রচার করে না। অপরদিকে পাকিস্তান, বাংলাদেশের যে সমস্ত মানুষ ইসলাম গ্রহণ করে তাকে এফএম চ্যানেল নিয়েে এসে তার সাক্ষাৎকার পযন্ত নিয়ে থাকে। এ ধরনের সাক্ষাৎকার বাংলাদেশের কিছু এফএম চ্যানেল করেছে ইতিমধ্যে। অপরদিকে পাকিস্তানের যদি কেউ ইসলাম গ্রহণ করে তাহলে সেটা তো টিভি চ্যানেলের একটা বড় ধরনের প্রচার হবেই। কিন্তু ইন্ডিয়াতে যদি কেউ ইসলাম ত্যাগ করে হিন্দু বা অন্য ধর্ম গ্রহণ করে তাহলে সে ক্ষেত্রে কোন টিভি চ্যানেলে প্রচার বা সাক্ষাৎকার কোনটাই নেয়া হয় না। এটা অনেকটা মানবাধিকার লংঘন হওয়ার থেকেই হয়তোবা এই সমস্ত বিষয় গুলো প্রথম সারির মিডিয়া প্রচার করে করে না। তবে ইদানিং ভারতের কিছু মিডিয়া এই বিষয়গুলোর থেকে বেরিয়ে এসে পাকিস্তান বাংলাদেশের মতন প্রচার করা শুরু করেছে। যদি পাঁচ থেকে সাত বছর আগে  কায় তাহলে ভারতে এ ধরনের কোনো প্রচার হতো না।

 

আপনি যদি গুগলে গিয়ে ‘‘ইসলাম গ্রহণ“ শব্দট দিয়ে সার্চ দেন। তবে বহু নিউজ আপনি পেয়ে যাবেন। অপরদিকে অন্য কোন ধর্ম গ্রহণ দিয়ে যদি সার্চ দেন। তবে আপনি সামান্য কিছু নিউজ পাবেন এবং গুগোল আপনাকে ‘‘ইসলাম গ্রহণ“ শব্দ টা দিয়ে সার্চ দেয়ার জন্য সাজেস্ট করবে। অর্থাৎ এখানে একটা বিষয় সম্পূর্ণ পরিষ্কার যে গুগলে ‘‘ইসলাম গ্রহণ“ শব্দটা দিয়ে প্রচুর সার্চ পরে কিন্তু অন্য ধর্ম গ্রহণ দিয়ে পড়ে না। যারা গুগল সার্চ রাঙ্কিং নিয়ে কাজ করে তারা এটা জানে যে কোন শব্দটা গুগলে সার্চ দেয়ার সময় গুগোল সাজেস্ট করে। গুগোল সবসময় সাজেস্ট করে যে শব্দগুলো দিয়ে মানুষ সার্চ দিয়ে থাকে সেই শব্দগুলো। সে দিক দিয়ে দেখতে গেলে দেখা যায় ‘‘ইসলাম গ্রহণ“ বাদে অন্য কোন ধর্মের গ্রহণ শব্দ টা দিয়ে সার্চ দিলে তেমন কোন রেজাল্ট আসে না।

 

এখানে একটা বিষয় পরিষ্কার যে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ এই শব্দটাই মানুষ যতটা ইন্টারেস্টেড অন্য কোন ধর্ম গ্রহণ শব্দ দিয়ে সার্চ দিতে মানুষ এতো ইন্টারস্টেট না। এর থেকে একটা বিষয় পরিষ্কার যে মুসলিম সম্প্রদায় বাদে অন্য সম্প্রদায়ের মধ্যে এই ধর্ম গ্রহণ বা ত্যাগের নিয়ে কোন ধরনের ইন্টারেস্ট নেই বললেই চলে। আপনাকে আমাদের কথা মানতে হবে না, আপনি গুগলে যায় হিন্দু ধর্ম গ্রহণ এইসব দিয়ে সার্চ দেন দেখবেন নিউজ আছে, কিন্তু গুগল সার্চ কি ওয়াড হিসাবে আপনাকে সাজেস্ট করছে না। আমি উপরেই বলেছি গুগোল  যে কি ওয়াড দিয়ে বেশি সার্চ করে সেটাকে সাজেস্ট করে। অতএব একটা বিষয় পরিষ্কার ইসলাম গ্রহণ শব্দটা ছাড়া অন্য কোন ধর্ম গ্রহণ এটা নিয়ে আসলে মানুষের ইন্টারেস্ট নেই বললেই চলে। এই বিষয়টি এখানে আলোচনা করা মানে এই না কাউকে ছোট বা বড় করছি। এখানে মূল উদ্দেশ্য যেটা সেটা হল মানুষের চিন্তা-ভাবনা সম্প্রদায় ভিত্তিক ভিন্ন ভিন্ন সেটার সাথে একটি পরিসংখ্যান দেওয়া।

 

এখানে ছোট্ট করে বলে রাখা ভালো যারা গুগলে সার্চ দেয় তারা আর যাই হোক অশিক্ষিত অর্থাৎ অক্ষরজ্ঞানহীন নয়। সুতরাং এটা পরিষ্কার শিক্ষিত মানুষের মধ্যেও যে ধর্মের গোঁড়ামি বা ধর্মের সম্প্রসারণ নীতি সমানভাবে কাজ করে না। অবশ্যই বিভিন্ন ধর্মভিত্তিক সকলে নয়। আজ এখানে ছোট্ট করে আলোচনা করা হবে, এতদিন আপনারা ইসলাম গ্রহণ করার ব্যক্তির তালিকা পেয়েছেন। কিন্তু ইসলাম ত্যাগ করেছে এমন ব্যক্তিদের সম্পর্কে। কে ধর্ম গ্রহণ করল বা কে ত্যাগ করল এটা আমাদের এখানে পরিষ্কার করা মুখ্য বিষয় নয়, মুখ্য বিষয় একটা দিক এর বিপরীত দিক টা দেখানো।

 

কেউ ইসলামে ছায়া তলে চলে এসে থাকলে আমাদের কিছু যায় আসে না। তবে তাদেরকে এই তথ্যটা দেয়া প্রয়োজন মনে করি যে প্রতিদিন বহু মানুষ ইসলাম ত্যাগ করে। আফ্রিকা ইউরোপ এশিয়াতে ইসলাম ত্যাগ করা মানুষের সংখ্যা বিপুল। ইন্টারনেটে সার্চ করলে এই তথ্যগুলো আপনারা খুব সহজেই পেয়ে যাবেন। ২০১৩ সালের আল জাজিরা টেলিভিশন তাদের প্রতিবেদনে জানিয়েছিলো আফ্রিকাতে প্রতি বছর ৬ মিলিয়ন মানুষ ইসলাম ত্যাগ করে! এ লেখার নিচেই আমি দুটি লিংক দিচ্ছি আগ্রহীরা দেখতে পারেন ৬ মিলিয়ন মানুষের ইসলাম ত্যাগের নিউজ।

এই বিপুল সংখ্যক আমজনতার বাইরে এবার বিখ্যাত কিছু মানুষের ইসলাম ত্যাগের কথা জানাই। সাধারণত মুসলমানরা দাবী করে অন্য ধর্ম ত্যাগ করে সবাই ইসলাম গ্রহণ করলেও কোন মুসলমান ইসলাম ত্যাগ করে হিন্দু ইহুদী খ্রিস্টান বৌদ্ধ ধর্ম গ্রহণ করার কোন নজির নেই। এই ডাঁহা মিথ্যাটি বহুল প্রচারিত। আসুন দেখি কিছু বিখ্যাত মানুষের ইসলাম ত্যাগ করে অন্য ধর্ম গ্রহণের কিছু ইতিহাস। তবে এখানে একটা বিষয় আমি বলে রাখি এটা মূলত একটা পরিসংখ্যান দেয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। কাউকে ছোট করার জন্য নয়।এখানে কোন তথ্যই আমরা আমাদের ব্যক্তিগত জায়গা থেকে নয়, সম্পূর্ণটাই ইন্টারনেট থেকে তুলে ধরা হবে। যাদের এই লেখার বিপরীতে বক্তব্য থাকবে অবশ্যই তারা লিংক গুলো চেক করে নেবেন দয়া করে।

 

শ্রীলংকান ক্রিকেটার তিলকরত্ন দিলশান ইসলাম ধর্ম ত্যাগ করে বৌদ্ধ ধর্ম গ্রহণ করেছেন। বিবিসি স্পোর্টস শ্রীলংকান প্রোফাইল সাইট থেকে এই তথ্যটি চেক করে নিতে পারেন। ভারতীয় অভিনেত্রী নার্গিস অভিনেতা সুনীল দত্তকে বিয়ে করে হিন্দু ধর্ম গ্রহণ করেছিলেন। ভারতের হারিয়ানা রাজ্যের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্র মোহন বিয়ের পর ইসলাম গ্রহণ করেন এবং পরবর্তীতে আবার হিন্দু ধর্মে ফিরে আসেন। ভারতীয় সেতার বাদক অন্নপূর্ণা দেবী জন্মেসূত্রে যার নাম ছিলো রুশনারা খান যিনি ইসলাম ত্যাগ করে হিন্দু ধর্ম গ্রহণ করেছিলেন। 

 

হরিলাল মোহনদাস গান্ধি যিনি মহাত্মা গান্ধির পুত্র, তিনি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে নাম নিয়েছিলেন আবদুল্লাহ গান্ধি। কিন্তু তিনি ইসলাম ত্যাগ করে আবার হিন্দু ধর্মে ফিরে আসেন।  হরিদাস ঠাকুর যিনি প্রথম জীবনে মুসলিম ছিলেন এবং পরে একজন হিন্দু সন্নাসী হয়ে যান। তিনি শ্রী চৈতন্যতদেবের সমসাময়িক। হিন্দু মৌলবাদীরা হরিদাস ঠাকুরকে জগন্নাথ মন্দিরে প্রবেশ করতে দেয়নি তার পূর্বের মুসলিম পরিচয়ের কারণে! শ্রী চৈতন্যদেব তার মৃতদেহটি গ্রহণ করেছিলেন এবং পুরীর সমুদ্র সৈকতে সমাধিস্থ করেছিলেন। 

 

মির্জা হুসাইন আলী যিনি ‘বাহাউল্লাহ’ নাম গ্রহণ করে বাহাই নামের নতুন এক ধর্ম প্রচলণ করেন। তার মাধ্যমে মাধ্যপাচ্যের হাজার হাজার মানুষ ইসলাম ত্যাগ করে বাহাই ধর্ম গ্রহণ করেছে। কিন্তু মুসলিমদের কোপাণলে পড়ার ভয়ে বাহাইরা ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়েছে বিশ্বের নানা প্রান্তে। সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুসারে বাহাই ধর্মের অনুসারীদের সংখ্যা ৬০ লক্ষ। এরা সবাই মুসলমান থেকে ইসলাম ত্যাগ করে বাহাই ধর্ম গ্রহণ করেছিলো। আরব বিশ্বের বিখ্যাত কিছু মানুষ যেমন: মির্জা আবুল-ফাদ্ল, মিশকিন-কালাম, নাবিল -ই-আযম, হাজি আখুন্দ, মির্জা মাহমুদ, আব্দুল করিম আমিন খাজা- তারা ইসলাম ত্যাগ করে বাহাই ধর্ম গ্রহণ করেছিলেন। 

ভারতীয় গীতিকার জাভেদ আখতার ইসলাম ত্যাগ করার প্রকাশ্য ঘোষণা দিয়ে নিজের নাস্তিকতা প্রকাশ করেছেন। এছাড়া আব্দুল্লাহ আল কাসেমী(সৌদি বংশোদ্ভুত মিশরীয় নাগরিক),আলিয়া মাগদা এলমাহদি  (মিশরীয় অনলাইন এক্টিভিস্ট এবং নারী অধিকারমুলক আইনিজীবি), আহমেদ হারকান (মিশরীয় মানবাধিকার কর্মী এবং স্বঘোষিত নাস্তিক), হামেদ আবদেল সামাদ (জার্মান-মিশরীয় রাজনীতিমুলক বিজ্ঞানী, ইতিহাস বেত্তা, গ্রন্থাকার), আয়ান হিরসি আলি ( সোমালীয়-বংশোদ্ভুত ডাচ নারীবাদি, লেখক এবং রাজনীতিবিদ),কাচেম এল ঘাজালি  (মরক্কো- সুইস লেখক এবং আন্দোলনকর্মী), ফাওজিয়া ইলিয়াস (Atheist & Agnostic Alliance Pakistan এর প্রতিষ্ঠাতা), আয়াজ নিজামি (পাকিস্তানী ইসলামিক স্কলার), মুহম্মদ টিপু সুলতান (বাংলাদেশী মমানবাধিকার কর্মী এবং লেখক) তারা সকলেই ইসলাম ত্যাগ করে নিজেদের নাস্তিকতা প্রচার করেছিলেন।

 

ইসলাম ত্যাগ করে সংশয়বাদী, কেউ কেউ নিজেরাই ভিন্ন ধর্মীয় নেতা হয়েছেন তাদের দীর্ঘ তালিকা থেকে বিখ্যাত কয়েকজনের নাম এবার বলি-সীমা মুস্তফা (ভারতীয় সাংবাদিক), ওয়াফা সুলতান (সিরিয়ান-বংশোদ্ভুত মার্কিন মনোচিকিৎসক), ইবনে ওয়ারাক ( ব্রিটিশ পাকিস্তানী), মিনা আহাদি (ইরানিয়ান বংশোদ্ভুত শান্তিবাদী, স্বধর্মত্যাগী প্রতিষ্ঠান “Zentralrat der Ex-Muslime”  সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা), ড.. ইউনুস শাইখ(পাকিস্তানী মেডিক্যাল ডাক্তার, মানবাধিকার কর্মী)- তারা সকলেই ইসলাম ত্যাগ করার ঘোষণা করেছেন।

 

যেসব মানুষ ইসলাম গ্রহণ করে আবার নিজের ধর্মে ফিরে গিয়েছেন তারা সকলেই জানিয়েছেন ইসলাম সম্পর্কে তাদের যেরকম জানিয়েছিলো পরে তারা সেরকম কিছুর মিল পাননি ইসলামে প্রবেশ করে। অর্থ্যাৎ তাদের কে ভুল বোঝানো  হয়েছিলো। যাদের হাত ধরে তারা ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন তারাই মিথ্যাচারটা করেছিলো। এখানে বলে রাখা প্রয়োজন অনেকে ভারতীয় অভিনেতা অভিনেতা ধর্মেন্দ্র ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন বলে একটা প্রচারণা করে থাকে। আসল ঘটনা হচ্ছে, হেমামালিনিকে বিয়ে করার জন্য ধর্মেন্দ্রকে ইসলাম গ্রহণ করতে হয়েছিলো কারণ ইসলামে তালাক দিয়ে দ্বিতীয় স্ত্রী গ্রহণ করার বিধান রয়েছে। হেমামালিনিকে বিয়ে করার জন্য ধর্মেন্দ্র নামমাত্র ইসলাম গ্রহণ করে তার আগের স্ত্রীকে তালাক দিয়ে হেমামালিনিকে বিয়ে করেছিলেন। তার ইসলাম গ্রহণ ছিলো কেবলই আইনী সুবিধা গ্রহণের উছিলা। ধর্মেন্দ্র ও তার পরিবার কেউই ইসলাম ধর্ম পালন করেন না কারণ তারা ফের হিন্দুই থেকে গিয়েছিলেন।

 

 এই লেখাটায় কেবলমাত্র একটা পরিসংখ্যান তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে। কাউকে বা কোন সম্প্রদায় কে ছোট বা বড় করার জন্য নয়। এই লেখাটি নিয়ে যদি কারো দ্বিমত থাকে তাহলে যে সমস্ত সূত্র নিচেই দেয়া হয়েছে অবশ্যই আপনারা কষ্ট করে একটু চেক করে নেবেন। আর এরপরও যদি কারোর দ্বিমত থেকে থাকে তবে অবশ্যই তাকে অনুরোধ করব এই লেখাটা এড়িয়ে যান। নিজের উপর বিশ্বাস রাখুন এই সামান্য লেখা আপনার বিশ্বাসকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারবেনা। সকল শুভবুদ্ধির চিন্তা পূর্ণ মানুষের প্রতি সম্মান রেখে অনুরোধ করবো যদি আপনার কোন মত থাকে এই লেখার বিরুদ্ধে অবশ্যই আপনি লেখক এর সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। 

সূত্র:-

 

এই লিখাটি এখানে প্রকাশ হওয়ার পূর্বেও সোশ্যাল মিডিয়ায় সহ কিছু সাইটে প্রকাশ পেয়েছে। এই লিখাটি শুধু সোজাসাপ্টা সাইটে প্রকাশ করা হয়েছে মাত্র। এই লেখাটির সাথে সোজাসাপ্টা মিডিয়ার কোন সম্পর্ক নাই।  লেখাটি পূবে এখানে প্রকাশ পেয়েছে।

বিশ্বে ইসলাম গ্রহণকারীর চাইতে ইসলাম ত্যাগীদের সংখ্যা বিপুল

 লেখক-সুদীপ্ত পাঠক।

আমাদের সাথে থাকতে লাইক দিয়ে রাখুন…..